চলতি ভয়াবহ বন্যায় দুর্গত মানুষের মাঝে যৌথ উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ করেছে সাপ্তাহিক উর্মীবাংলা, উন্নয়ন সংঘ ও প্রতিশ্রুতি মুক্ত স্কাউট দল।
জামালপুর পৌরসভাধীন রশিদপুর ইজ্জাতুননেছা সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রোববার বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কাজে অংশ নেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাসেল সাবরিন, উর্মীবাংলার প্রকাশক আরজু আকন্দ, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, প্রতিশ্রুতি মুক্ত স্কাউট দলের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, উর্মীবাংলার সম্পাদক আরিফ আকন্দ, সাবেক পৌরসভা কাউন্সিলর শাহিন, সাংবাদিক ইউসুফ খান, উন্নয়ন সংঘের পরীবিক্ষণ কর্মকর্তা শাহজাহান মিয়া, পরিদর্শক সাব্বির হোসেন রিয়াদ, ইজ্জাতুননেছা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান, সহকারী প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী বেগমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ৭০টি পরিবার ইজ্জাতুননেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে। এই আশ্রয়কেন্দ্রে দুই শতাধীক মানুষের মাঝে রোববার দুপুরে রান্না করা খিচুরি বিতরণ করা হয়। ইজ্জাতুননেছা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সকালে চিড়া, মুড়ি ও গুড় বিতরণ করা হয় বলে জানা যায়।
এই আশ্রয়কেন্দ্রে শিশুদের পাতলা পায়খানা, জ্বরসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ দেখা দিয়েছে বলে আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দারা জানান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাসেল সাবরিন দ্রুত সময়ের মধ্যে মেডিকেল টিম পাঠানোর আশ্বাস দেন।
তিনি আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দাদের খাদ্য সঙ্কট নিরসনে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার পাশাপাশি এলাকাবাসীদের সহায়তা করার আহ্বান জানান।
জামালপুর পৌরসভাধীন রশিদপুর ইজ্জাতুননেছা সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রোববার বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কাজে অংশ নেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাসেল সাবরিন, উর্মীবাংলার প্রকাশক আরজু আকন্দ, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, প্রতিশ্রুতি মুক্ত স্কাউট দলের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, উর্মীবাংলার সম্পাদক আরিফ আকন্দ, সাবেক পৌরসভা কাউন্সিলর শাহিন, সাংবাদিক ইউসুফ খান, উন্নয়ন সংঘের পরীবিক্ষণ কর্মকর্তা শাহজাহান মিয়া, পরিদর্শক সাব্বির হোসেন রিয়াদ, ইজ্জাতুননেছা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান, সহকারী প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী বেগমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ৭০টি পরিবার ইজ্জাতুননেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে। এই আশ্রয়কেন্দ্রে দুই শতাধীক মানুষের মাঝে রোববার দুপুরে রান্না করা খিচুরি বিতরণ করা হয়। ইজ্জাতুননেছা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সকালে চিড়া, মুড়ি ও গুড় বিতরণ করা হয় বলে জানা যায়।
এই আশ্রয়কেন্দ্রে শিশুদের পাতলা পায়খানা, জ্বরসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ দেখা দিয়েছে বলে আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দারা জানান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাসেল সাবরিন দ্রুত সময়ের মধ্যে মেডিকেল টিম পাঠানোর আশ্বাস দেন।
তিনি আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দাদের খাদ্য সঙ্কট নিরসনে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার পাশাপাশি এলাকাবাসীদের সহায়তা করার আহ্বান জানান।
পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন!
