২০১৭ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় (এইচএসসি) জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে ৩৬৪ জন ফেল করেছে। আর জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৫৮ জন। জামালপুর সরকারি জাহেদা সফির মহিলা কলেজ থেকে ফেল করেছে ৪৮৬ জন এবং এই কলেজ থেকে কোনো পরীক্ষার্থী জিপিএ-পাঁচ পায়নি। এ দুটি কলেজ ছাড়াও জামালপুর জেলার আরও কয়েকটি কলেজের ফলাফল পাওয়া গেছে। এবার জেলার কোনো কলেজ থেকেই শতভাগ পাস করেনি। আর জেলায় মোট জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৯৪ জন।সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় অংশ নেয় ১ হাজার ৫২৫ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১ হাজার ১৬১ জন। পাসের হার হয়েছে ৭৬.৬৩। আর জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৫৮ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৩২৩ জন। ফেল করেছে ১৮১ জন। এই বিভাগে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৩৬০ জন। ফেল করেছে ১৩৮ জন। এই বিভাগে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ২ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৪৭৮ জন। ফেল করেছে ৬৭ জন। এই বিভাগে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৫৫ জন।
সরিষাবাড়ী কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৫৯২ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৩১৩ জন। পাসের হার হয়েছে ৫২.৮৭। আর জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৭ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ১৫১ জন। ফেল করেছে ৩৮ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ১৫১ জন। ফেল করেছে ২৪১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৮৩ জন। ফেল করেছে ৫ জন। এই বিভাগে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৭ জন।
সরিষাবাড়ী মাহমুদা সালাম মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪০৩ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ২১২ জন। পাসের হার হয়েছে ৫২.৬১। আর জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৬ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ১৫ জন। ফেল করেছে ৭ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ১৩৩ জন। ফেল করেছে ১৮৫ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৬৪ জন। ফেল করেছে ৩ জন। এই বিভাগে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৬ জন।
সরিষাবাড়ী পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ২২৮ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৬৮ জন। পাসের হার হয়েছে ৭৩.৬৮। জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৬ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৪৮ জন। ফেল করেছে ৩ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৯১ জন। ফেল করেছে ৫৯ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ২৯ জন। এ বিভাগ থেকে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৬ জন।
পিংনা সুজাত আলী কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় অংশ নেয় ৩৯৮ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৩৬৮ জন। পাসের হার হয়েছে ৯২.৪৬। আর জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৪ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৭২ জন। ফেল করেছে ১ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ২৩০ জন। ফেল করেছে ২৬ জন। এই বিভাগে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৬৬ জন। ফেল করেছে ৫ জন। এই বিভাগে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৩ জন।
যমুনা সার কারখানা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় অংশ নেয় ৯০ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৮১ জন। পাসের হার হয়েছে ৯০.০০। আর জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৪ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ১৪ জন। ফেল করেছে ৩ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৮ জন। ফেল করেছে ২ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৫৯ জন। ফেল করেছে ৫ জন। এই বিভাগে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ৪ জন।
জামালপুর সদরের নরুন্দি ইউনিয়নের জিন্নাতুন আফসর মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৬৯ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৬৫ জন। পাসের হার হয়েছে ৯৪.২০। জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ২ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৮ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ২৯ জন। ফেল করেছে ৪ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ২৮ জন। এ বিভাগ থেকে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ২ জন।
মেলান্দহ উপজেলার জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩৮৫ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৮৮ জন। পাসের হার হয়েছে ৪৮.৮৩। জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ২৫ জন। ফেল করেছে ৮ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ১৫৬ জন। ফেল করেছে ১৬৭ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৭ জন। ফেল করেছে ২৫ জন। এ বিভাগ থেকে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন।
ইসলামপুর এমএ সামাদ পাভেজ মেমোরিয়াল মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ২৫২ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১২৬ জন। পাসের হার হয়েছে ৫০.০০। জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ১২ জন। ফেল করেছে ১৬ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ১০০ জন। ফেল করেছে ৯৫ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ১৪ জন। ফেল করেছে ১৯ জন। এ বিভাগ থেকে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন।
জামালপুর সদরের নরুন্দি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ২০৪ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৮৮ জন। পাসের হার হয়েছে ৯২.১৬। জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৩৬ জন। ফেল করেছে ১২ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ১৩০ জন। ফেল করেছে ৫ জন। এ বিভাগ থেকে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ২২ জন।
মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া বঙ্গবন্ধু কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩০৪ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৪৮ জন। পাসের হার হয়েছে ৪৮.৬৮। জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৩৭ জন। ফেল করেছে ২৬ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৬৫ জন। ফেল করেছে ১৩০ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৪৬ জন। এ বিভাগ থেকে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন।
মাদারগঞ্জের খাজা শাহ সুফি ইউনুস আলী কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ২১৫ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১২৫ জন। পাসের হার হয়েছে ৫৮.১৪। জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ১১ জন। ফেল করেছে ১৮ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৯৩ জন। ফেল করেছে ৬৩ জন। এ বিভাগ থেকে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ২১ জন। ফেল করেছে ১০ জন।
সরিষাবাড়ী উপজেলার বঙ্গবন্ধু কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১১৮ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৭২ জন। পাসের হার হয়েছে ৬১.০২। জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৮ জন। ফেল করেছে ৯ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ২৬ জন। ফেল করেছে ৩৫ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৩৮ জন। ফেল করেছে ২ জন। এ বিভাগ থেকে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন।
সরিষাবাড়ীর ভাটারা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩২৭ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ২৪৩ জন। পাসের হার হয়েছে ৭৪.৩১। জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৫৫ জন। ফেল করেছে ২২ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ১৩৬ জন। ফেল করেছে ৫৯ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৫২ জন। ফেল করেছে ৬ জন। এ বিভাগ থেকে জিপিএ-পাঁচ পেয়েছে ১ জন।
জামালপুর সরকারি জাহেদা সফির মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ হাজার ১২৬ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৬৪০ জন। পাসের হার হয়েছে ৫২.২০। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ১৫৪ জন। ফেল করেছে ৯০ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৩৫৯ জন। ফেল করেছে ৪৪৭ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ১২৭ জন। ফেল করেছে ৬৮ জন।
শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ২০৭ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৪২ জন। পাসের হার হয়েছে ৬৮.৬০। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৬৮ জন। ফেল করেছে ২০ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৫৭ জন। ফেল করেছে ৩৯ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ১৭ জন। ফেল করেছে ৭ জন।
নান্দিনা শেখ আনোয়ার হোসাইন কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১০৭৯ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৫২১ জন। পাসের হার হয়েছে ৪৯.২১। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ২৩৩ জন। ফেল করেছে ২৪৯ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ২২৭ জন। ফেল করেছে ২৯৬ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৭১ জন। ফেল করেছে ২১ জন।
জামালপুর সদরের ঝাউলা গোপালপুর কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ২৪২ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৮২ জন। পাসের হার হয়েছে ৭৫.২১। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৫৪ জন। ফেল করেছে ৬ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ১০৫ জন। ফেল করেছে ৫৬ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ২৩ জন।
জামালপুর সদরের ড. আব্দুল মজিদ তালুকদার কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ২৯৫ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১২৮ জন। পাসের হার হয়েছে ৪৩.৩৯। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৫১ জন। ফেল করেছে ৭০ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৪৯ জন। ফেল করেছে ৮১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ২৮ জন। ফেল করেছে ১৬ জন।
দিগপাইত শামসুল হক কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৫৬৬ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ২৪৩ জন। পাসের হার হয়েছে ৪২.৯৩। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ১০৯ জন। ফেল করেছে ৮৯ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৬৩ জন। ফেল করেছে ২২৫ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৭১ জন। ফেল করেছে ১২ জন।
জামালপুর সদরের তুলসীপুর কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪০৯ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৮৮ জন। পাসের হার হয়েছে ৪৫.৯৭। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৫০ জন। ফেল করেছে ৪০ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ১২৫ জন। ফেল করেছে ১৬৭ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ১৩ জন। ফেল করেছে ১৯ জন।
মেলান্দহ সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩০৮ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১৮জন। পাসের হার হয়েছে ৩৮.৩১। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৩৯ জন। ফেল করেছে ৪৮ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৫৭ জন। ফেল করেছে ১০০ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ২২ জন। ফেল করেছে ৪৭ জন।
বকশীগঞ্জ সরকারি কিয়ামত উল্লাহ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১০১৬ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৫৩৬জন। পাসের হার হয়েছে ৫২.৭৬। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ১০৭ জন। ফেল করেছে ৯৯ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ২৫৪ জন। ফেল করেছে ৩৩৬ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ১৭৫ জন। ফেল করেছে ৫৮ জন।
বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ২৯০ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৫১ জন। পাসের হার হয়েছে ৫২.০৭। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ২২ জন। ফেল করেছে ৩ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ১১৫ জন। ফেল করেছে ১৩৬ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ১৪ জন। ফেল করেছে ১ জন।
মাদারগঞ্জ সরকারি এ এইচ জেড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩১২ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৪১ জন। পাসের হার হয়েছে ৪৫.১৯। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৩৬ জন। ফেল করেছে ২৬ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৮১ জন। ফেল করেছে ১২১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ২৪ জন। ফেল করেছে ২৯ জন।
মাদারগঞ্জের মির্জা আজম কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৮৬ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১০৩ জন। পাসের হার হয়েছে ৫৫.৩৮। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৬ জন। ফেল করেছে ৮ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৭৯ জন। ফেল করেছে ৬৩ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ১৮ জন। ফেল করেছে ১৩ জন।
ইসলামপুর কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪১৩ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ২৩৪ জন। পাসের হার হয়েছে ৫৬.৬৬। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৯৩ জন। ফেল করেছে ৬৫ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৭২ জন। ফেল করেছে ৭৮ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৬৯ জন। ফেল করেছে ৪৬ জন।
ইসলামপুর জে জে কে এম বালিকা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪০ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৪৯ জন। পাসের হার হয়েছে ৩৫.০০। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৭ জন। ফেল করেছে ৩১ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৩৩ জন। ফেল করেছে ৪৯ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৯ জন। ফেল করেছে ১৩ জন।
ইসলামপুরের শহীদ মেজর জেনারেল খালেদ মোশারফ বীর উত্তম উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪৯ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৬ জন। পাসের হার হয়েছে ১২.২৪। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে পাস করেছে ৫ জন। ফেল করেছে ৪৩ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ১ জন। ফেল করেছে ২ জন।
ইসলামপুরের গুঠাইল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৭৬ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ২৯ জন। পাসের হার হয়েছে ৩৮.১৬। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৯ জন। ফেল করেছে ১৪ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ২০ জন। ফেল করেছে ৩৫ জন।
দেওয়ানগঞ্জ এ কে মেমোরিয়াল কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৭৬৩ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৪১৩ জন। পাসের হার হয়েছে ৫৪.১৩। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৫৭ জন। ফেল করেছে ২৭ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ২৩৭ জন। ফেল করেছে ২৫১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ১১৯ জন। ফেল করেছে ৭৬ জন।
দেওয়ানগঞ্জের সানন্দবাড়ী কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪২০ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৪২ জন। পাসের হার হয়েছে ৩৩.৮১। কেউ জিপিএ-পাঁচ পায়নি। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ৩ জন। ফেল করেছে ৫ জন। মানবিক বিভাগে পাস করেছে ১১৮ জন। ফেল করেছে ২৩২ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ২১ জন। ফেল করেছে ৪৮ জন।
পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন!
