আপনাকে স্বাগতম!

আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ।

জামালপুরে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার মর্যাদা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি

জামালপুরের বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকেরা তাদের মর্যাদা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দেশের ২৮৩টি কলেজ জাতীয়করণের প্রজ্ঞাপন জারির আগেই একটি নীতিমালা প্রণয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছেন।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার মর্যাদা রক্ষা কমিটির উদ্যোগে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরাবরে দেওয়া স্মারকলিপিতে তারা এই দাবি জানিয়েছেন। কমিটির জেলা শাখার সভাপতি জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও সম্পাদক একই কলেজের সহকারী অধ্যাপক প্রভাষক মুহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলামের নেতৃত্বে বিভিন্ন সরকারি কলেজের বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাবৃন্দ ২৯ অক্টোবর রোববার বিকেলে এই স্মারকলিপি পেশ করেন। জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর বলেন, আপনাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করলাম। আপনাদের এই স্মারকলিপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে পৌঁছানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার মর্যাদা রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরাবরে পাঠানো স্মারকলিপির যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া স্মারকলিপির আলোকে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের সহকারী অধ্যাপক স্বরূপ কাহালি বলেন, ক্যাডার পদে নিয়োগ লাভের জন্য কর্মকমিশনের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া রয়েছে।সেই কঠোর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে মেধাবী ও যোগ্য ব্যক্তিরাই অন্যান্য ক্যাডার কর্মকর্তাদের মতোই বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে যোগদান করে থাকেন।
দাবি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের অবহিত করেন শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাবৃন্দ। ছবি : মোস্তফা মনজু
তিনি বলেন, বিসিএস পরীক্ষা ছাড়া এবং ক্যাডার সার্ভিসের নীতিমালা অনুসরণ ব্যতিরেকে বেসরকারি কলেজগুলো জাতীয়করণের সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট কলেজের শিক্ষকদের শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত করা হলে তা হবে শিক্ষানীতি, যুক্তি ও ইনসাফের পরিপন্থি। এটি আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য নিরসনেও বাধা হয়ে দাঁড়াবে। ফলে শিক্ষা ক্যাডারে বৈষম্য ও অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণের আশঙ্কা রয়েছে। এতে করে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, স্মারকলিপিতে আমরা দেশের ২৮৩টি কলেজ জাতীয়করণের প্রজ্ঞাপন জারির আগেই একটি নীতিমালা প্রণয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা জারি করার অনুরোধ জানিয়েছি। যে নির্দেশনার আলোকে জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষকদের ক্যাডার বহির্ভূত রেখে তাদের চাকরি ও মর্যাদা নিরূপিত হবে।
পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন!

Post a Comment

আগের পোস্ট পরের পোস্ট

نموذج الاتصال