আজিজুর রহমান ডল॥
জামালপুর ও সরিষাবাড়ী উপজেলার লাখো মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি জামালপুর-কালিবাড়ী-সরিষাবাড়ী সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পটি অবশেষে আলোর মুখ দেখলো। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠান যমুনা সারকারখানা থেকে সড়কপথে সার পরিবহন ও পাটশিল্প কলকারখানার দিক থেকে ঐতিহ্যবাহী সরিষাবাড়ী উপজেলার লাখো মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক উন্নয়নের জন্য একনেকের সভায় ৩১ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রায় ২২০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর শেরে বাংলানগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ-একনেকের সভায় দেশের আরও কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের সাথে জামালপুর-কালিবাড়ী-সরিষাবাড়ী সড়ক প্রশস্ত ও মজবুতকরণ প্রকল্পটিও অনুমোদন পেয়েছে। একনেক সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এ প্রতিবেদককে বলেছেন, জামালপুর জেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জামালপুর জেলাকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। আমরা জামালপুর থেকে যমুনা সারকারখানা হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু সংযোগ সড়কটি প্রশস্ত ও মজবুত করে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে নিরাপদ সড়কে উন্নীত করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। প্রাথমিক পর্যায়ে সরিষাবাড়ীর বাউসী সেতু পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা প্রশস্ত ও মজবুত করার প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একনেকের সভায় অনুমোদন দিয়েছেন।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, জামালপুর-সরিষাবাড়ী-তারাকান্দি অঞ্চলের লাখো মানুষের দীর্ঘ দিনের জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবি ছিল এই রাস্তাটির পুনরায় নির্মাণ করা। এই রাস্তার জন্য ২১৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদিত হওয়ায় এ বছরই এই সড়কের কাজ শুরু করা যাবে। বর্তমান সরকারের মেয়াদকালীন সময়ের মধ্যেই এই রাস্তার কাজ শেষ করা হবে বলেও তিনি জানান।
জানা গেছে, জামালপুর-সরিষাবাড়ী-তারাকান্দি-পিংনা হয়ে টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর দিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর সাথে সংযোগ সড়ক হওয়ার কারণে এই সড়কটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। এটি জামালপুর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাধীন। যমুনা সারকারখানার দানাদার ইউরিয়া সার সহস্রাধিক ট্রাকে করে এই সড়কপথেই প্রতিদিন উত্তবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন হয়ে থাকে। এই সড়কপথে রাজধানী ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোয় বিপুল সংখ্যক যাত্রী পরিবহনের বাস, মাইক্রোবাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও অন্যান্য যাত্রীবাহী মোটরযান চলাচল করে থাকে।
এই সড়কটি দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর আগে পাকা সড়কে রূপান্তরিত হলেও তা ছিল অত্যন্ত সরু। দুটি ট্রাক বা বাস একসাথে পাশ কাটিয়ে চলাচল করার কোনো জো ছিল না। সড়কের পাশের মাটি ধসে যাওয়ায় অনেক সময় যাত্রীবাহী মোটরযান ও পণ্যবাহী ট্র্রাক উল্টে পড়ে যেতো খাদে। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভেঙে বড় বড় খানাখন্দে ভরে গেছে। দুর্ঘটনা ও জানমালের ক্ষতিও হয়ে থাকে নিয়মিত। যাতায়াতে ও পরিবহনে খুবই সমস্যায় পড়তে হতো সাধারণ মানুষদের।
সড়কটির বড় সমস্যা হলো অসংখ্য বাঁকাতেরা। ফলে সড়কের বাঁকে বাঁকে বা মোড়ে মোড়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার পাশাপাশি যাতায়াতে সময়ও বেশি লাগে। এই সড়কে যাতায়াত, সার ও কৃষিপণ্য পরিবহনে দুর্ভোগের শিকার জামালপুর ও সরিষাবাড়ী উপজেলার লাখো মানুষ সড়কটি প্রশস্ত ও মজবুত করে নির্মাণ করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিল।
তাই একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক বিবেচনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য, জামালপুরের মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় পাঁচবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম জামালপুর জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে তিনি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের মাধ্যমে সড়কটির উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা হাতে নেন। এরই অংশ হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে এই সড়কের জামালপুর সদর উপজেলার টিউবওয়েলপাড় মোড় থেকে কেন্দুয়া কালিবাড়ী বাজার হয়ে সরিষাবাড়ী উপজেলার বাউসী সেতু পর্যন্ত যাতায়াতের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক পাকা ও প্রশস্তকরণ এবং মজবুতকরণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পটিতে জমি অধিগ্রহণ করে সড়কের যেখানে যেখানে প্রয়োজন সেখানে বাঁকাতেরাও সোজা করার প্রস্তাবনা রয়েছে।
জামালপুর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, জামালপুর-কালিবাড়ী-সরিষাবাড়ী সড়ক প্রশস্তকরণ ও মজবুতকরণ নামের এই রাস্তাটির কাজ শুরু হবে জামালপুর-মধুপুর সড়কের বেলটিয়া টিউবওয়েল পাড় মোড় থেকে সরিষাবাড়ী উপজেলার বাউসী সেতু পর্যন্ত। প্রকল্পভুক্ত এই রাস্তার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭ কিলোমিটার। এতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২১৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১৮ ফুট প্রশস্ত পাকাকরণসহ দুই পাশের সড়কও প্রশস্তকরণ করা হবে। দুর্ঘটনা এড়ানো ও নির্বিঘ্নে ভারি যানবাহন চলাচল এবং পথচারীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য রাস্তাটির বাঁকাতেরা সোজা করা হবে। আর এর জন্য কোনো কোনো স্থানে জমি অধিগ্রহণ করার ব্যয়ও এই প্রকল্পে ধরা হয়েছে।
জামালপুর ও সরিষাবাড়ী উপজেলার লাখো মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি জামালপুর-কালিবাড়ী-সরিষাবাড়ী সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পটি অবশেষে আলোর মুখ দেখলো। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠান যমুনা সারকারখানা থেকে সড়কপথে সার পরিবহন ও পাটশিল্প কলকারখানার দিক থেকে ঐতিহ্যবাহী সরিষাবাড়ী উপজেলার লাখো মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক উন্নয়নের জন্য একনেকের সভায় ৩১ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রায় ২২০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর শেরে বাংলানগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ-একনেকের সভায় দেশের আরও কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের সাথে জামালপুর-কালিবাড়ী-সরিষাবাড়ী সড়ক প্রশস্ত ও মজবুতকরণ প্রকল্পটিও অনুমোদন পেয়েছে। একনেক সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এ প্রতিবেদককে বলেছেন, জামালপুর জেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জামালপুর জেলাকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। আমরা জামালপুর থেকে যমুনা সারকারখানা হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু সংযোগ সড়কটি প্রশস্ত ও মজবুত করে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে নিরাপদ সড়কে উন্নীত করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। প্রাথমিক পর্যায়ে সরিষাবাড়ীর বাউসী সেতু পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা প্রশস্ত ও মজবুত করার প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একনেকের সভায় অনুমোদন দিয়েছেন।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, জামালপুর-সরিষাবাড়ী-তারাকান্দি অঞ্চলের লাখো মানুষের দীর্ঘ দিনের জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবি ছিল এই রাস্তাটির পুনরায় নির্মাণ করা। এই রাস্তার জন্য ২১৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদিত হওয়ায় এ বছরই এই সড়কের কাজ শুরু করা যাবে। বর্তমান সরকারের মেয়াদকালীন সময়ের মধ্যেই এই রাস্তার কাজ শেষ করা হবে বলেও তিনি জানান।
জানা গেছে, জামালপুর-সরিষাবাড়ী-তারাকান্দি-পিংনা হয়ে টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর দিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর সাথে সংযোগ সড়ক হওয়ার কারণে এই সড়কটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। এটি জামালপুর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাধীন। যমুনা সারকারখানার দানাদার ইউরিয়া সার সহস্রাধিক ট্রাকে করে এই সড়কপথেই প্রতিদিন উত্তবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন হয়ে থাকে। এই সড়কপথে রাজধানী ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোয় বিপুল সংখ্যক যাত্রী পরিবহনের বাস, মাইক্রোবাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও অন্যান্য যাত্রীবাহী মোটরযান চলাচল করে থাকে।
এই সড়কটি দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর আগে পাকা সড়কে রূপান্তরিত হলেও তা ছিল অত্যন্ত সরু। দুটি ট্রাক বা বাস একসাথে পাশ কাটিয়ে চলাচল করার কোনো জো ছিল না। সড়কের পাশের মাটি ধসে যাওয়ায় অনেক সময় যাত্রীবাহী মোটরযান ও পণ্যবাহী ট্র্রাক উল্টে পড়ে যেতো খাদে। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভেঙে বড় বড় খানাখন্দে ভরে গেছে। দুর্ঘটনা ও জানমালের ক্ষতিও হয়ে থাকে নিয়মিত। যাতায়াতে ও পরিবহনে খুবই সমস্যায় পড়তে হতো সাধারণ মানুষদের।
সড়কটির বড় সমস্যা হলো অসংখ্য বাঁকাতেরা। ফলে সড়কের বাঁকে বাঁকে বা মোড়ে মোড়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার পাশাপাশি যাতায়াতে সময়ও বেশি লাগে। এই সড়কে যাতায়াত, সার ও কৃষিপণ্য পরিবহনে দুর্ভোগের শিকার জামালপুর ও সরিষাবাড়ী উপজেলার লাখো মানুষ সড়কটি প্রশস্ত ও মজবুত করে নির্মাণ করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিল।
তাই একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক বিবেচনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য, জামালপুরের মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় পাঁচবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম জামালপুর জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে তিনি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের মাধ্যমে সড়কটির উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা হাতে নেন। এরই অংশ হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে এই সড়কের জামালপুর সদর উপজেলার টিউবওয়েলপাড় মোড় থেকে কেন্দুয়া কালিবাড়ী বাজার হয়ে সরিষাবাড়ী উপজেলার বাউসী সেতু পর্যন্ত যাতায়াতের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক পাকা ও প্রশস্তকরণ এবং মজবুতকরণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পটিতে জমি অধিগ্রহণ করে সড়কের যেখানে যেখানে প্রয়োজন সেখানে বাঁকাতেরাও সোজা করার প্রস্তাবনা রয়েছে।
জামালপুর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, জামালপুর-কালিবাড়ী-সরিষাবাড়ী সড়ক প্রশস্তকরণ ও মজবুতকরণ নামের এই রাস্তাটির কাজ শুরু হবে জামালপুর-মধুপুর সড়কের বেলটিয়া টিউবওয়েল পাড় মোড় থেকে সরিষাবাড়ী উপজেলার বাউসী সেতু পর্যন্ত। প্রকল্পভুক্ত এই রাস্তার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭ কিলোমিটার। এতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২১৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১৮ ফুট প্রশস্ত পাকাকরণসহ দুই পাশের সড়কও প্রশস্তকরণ করা হবে। দুর্ঘটনা এড়ানো ও নির্বিঘ্নে ভারি যানবাহন চলাচল এবং পথচারীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য রাস্তাটির বাঁকাতেরা সোজা করা হবে। আর এর জন্য কোনো কোনো স্থানে জমি অধিগ্রহণ করার ব্যয়ও এই প্রকল্পে ধরা হয়েছে।
পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন!
